পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

কিছু প্রচলিত বিদ'আত

নিম্নে কতিপয় বিদআতের সাথে পরিচয় করে দেওয়া হল যা অবশ্যই বর্জন করতে হবে:

● কোন বুযুর্গের মাযারে মেলা মিলানো
● ওরস করা
● কাওয়ালী জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা
● মৃতের কুলখানী করা। অর্থাৎ- চতুর্থ দিনেই ঈছালে সাওয়াব করা
● মৃতের চেহলাম বা চল্লিশা করা
● কবরের উপর চাদর দেয়া
● কবরের উপর ফুল দেয়া
● কবর পাকা করা
● কবরের উপর গম্বুজ বানানো
● কবরের দুই প্রান্তে কাঁচা ডাল লাগানোকে স্থায়ী নিয়মে পরিণত করা। তবে যদি মাঝে মধ্যে এটা করা হয় এবং স্থায়ী নিয়মে পরিণত না হয়, তাহলে তার অবকাশ রয়েছে
● মাযারে চাদর, শামিয়ানা, মিঠাই ইত্যাদি নযরানা দেয়া
● প্রচলিত মিলাদ অনুষ্ঠান
● মীলাদ অনুষ্ঠানে কেয়াম করা
● সালাতের পর সম্মিলিত মোনাজাত করা
● যানাজার নামাযের পর আবার হাত উঠিয়ে দোয়া করা
● জানাযা নামাযের পর জোর আওয়াজে কালেমা পড়তে পড়তে জানাযা বহন করে নিয়ে যাওয়া
● দাফনের পর কবরের কাছে আযান দেয়া
● আযান, ইকামতের মধ্যে রাসুল সা. এর নাম এলে বৃদ্ধা আঙ্গুলে চুমু দিয়ে চোখে লাগানো
● রমাযানের শেষ জুমুআর খুতবায় বিদায় জ্ঞাপন মূলক শব্দ (যমন আল-বিদা) ইত্যাদি যোগ করা। উল্লেখ্য, ‘জুমুআতুল বিদা’ বলে কোন ধারণা ইসলামে নেই
● জানাযার উপর কালিমা ইত্যাদি লেখা বা ফুলের চাদর বিছানোইত্যাদি।

[ বি:দ্র: বিদ'আত এতই মারাত্মক যে তা সুন্নাহকে দূরে সরিয়ে দেয়, সুন্নাহকে অপমান করে এবং কখনো আল্লাহর সাথে শীরকও করে । তাই বিদ'আতকে ত্যাগ করা এবং ঘৃণা করাই এক প্রকার সুন্নাহ্।]

কোন মন্তব্য নেই