পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

যে সাত শ্রেণীর নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়

বিয়ে মানুষের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাই এই ব্যাপারে খুব সতর্কতার সাথে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত। নিম্নে আমরা কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরছি, যেটার সাথে আপনারা একমত নাও হতে পারেন। তবে শুধু নসীহাহ হিসেবেই দেয়া হচ্ছে, কেননা মানুষ বিয়ের পরে অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যায় আক্রান্ত হতে চায় না। এখানে নারীদের কিছু বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করার মাধ্যমে পুরুষদের নসীহাহ দেয়া হচ্ছে যে, বিয়ের জন্য এইধরণের নারীদের এড়িয়ে গেলে আপনাদের বৈবাহিক জীবন সহজ হতে পারে। এবং একই সাথে নারীদের জন্যেও নসীহাহ, যদি তাদের মধ্যে এমন কোন বৈশিষ্ট্য থেকে থাকে, তবে যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের কল্যাণেই এই বৈশিষ্ট্যগুলোকে ত্যাগ করতে হবে। আর আল্লাহই তো সবচেয়ে ভালো জানেন।


১. আল-আননানাহ: যে নারী সর্বদা অভিযোগ করে, ন্যাকামী করে, ঘ্যানঘ্যান করে এবং মাথায় সর্বদা কাপড় বেঁধে রাখে, এই বুঝানের জন্য যে, তার খুব মাধা ব্যাথা, সে খুব অসুস্থ; অথচ সত্যতা হচ্ছে যে, সে ভান করছে।


২. আল-মাননানাহ: যে নারী স্বামীর কোন উপকার করে, অথবা কোন উপহার দেয়, কিন্তু পরবর্তিতে সেটার জন্য আবার খোঁটা দেয় এবং বলে, “আমি তোমার জন্য এই এই করেছি, এই এই দিয়েছি।”



৩. আল-হাননানাহ: যে নারী তার পূর্বের স্বামীকে আকাঙ্ক্ষা করে অথবা পূর্বের স্বামী-সন্তানের জন্য বিলাপ করে।


৪. কাই’য়াত আল-ক্বাফা: যে নারীর ব্যাপারে সন্দেহ আছে।


৫. আল-হাদদাক্বাহ: যে নারী সর্বদা কোন না কোন কিছু কেনাকাটা করতে আকাঙ্ক্ষা করে এবং এই জন্য স্বামীকে চাপ প্রয়োগ করে।


৬. আল-বাররাক্বাহ: যে নারী দিনের বেশিরভাগ সময়ই রূপচর্চায় কাটিয়ে দেয়, যা তার চেহারায় কৃত্রিমতা নিয়ে আসে।


৭. আল-শাদদাক্বাহ: যে নারী অতিরিক্ত কথা বলে।




[শাইখ উসাইমিনের “বিবাহের সারকথা” গ্রন্থ হতে সংকলিত এবং পরিমার্জিত।]

কোন মন্তব্য নেই