পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

প্যারেন্টিং - ভুল পদ্ধতির দির্ঘস্থায়ী ক্ষতি ও পরামর্শ

'নিষ্ঠুর এবং স্বার্থপর' মা

ধরুন আপনার বাচ্চার বয়স ১৫ দিন। আপনি ডাইনিং টেবিলে দুপুরের খাবার খেতে বসেছেন। বাচ্চা পাশের রুমে ঘুমাচ্ছে। ধীরে সুস্থে খেলে খাবারটা শেষ করতে আপনার বড়জোর ২০ মিনিট লাগার কথা। কিন্তু আপনি যাকে বলে গোগ্রাসে গিলছেন! বড্ড তাড়াহুড়া! কারন, বাচ্চা ঘুম থেকে উঠে আপনাকে না পেলে সেটা আপনার সংজ্ঞা অনুসারে একটি 'সর্বনাশ' এর বিষয়! কিন্তু দুঃজনক ব্যাপার হল, এত কিছুতেও শেষরক্ষাটা হল না! ঠিক ৭ মিনিটের মাথায় আপনার বাচ্চাটা কাঁদতে শুরু করল। এবং সেটা কানে যাওয়া মাত্রই আপনি হঠাৎই উসাইন বোল্ট এর প্রতিভায় নিজেকে আবিষ্কার করলেন ! খাবার দাবার ফেলে এখনি পড়িমড়ি করে ছুটতে যাচ্ছেন বাচ্চাকে থামাতে!

ঠিক এই পর্যায়ে আপনাকে আমার একটা প্রশ্ন করার ছিল! সেটা হল- আমি আপনার এই এটিচিউড এর পেছনের ইমোশনটা বুঝতে পারছি, সোশাল এক্সপেক্টেশনটাও বুঝতে পারছি, তারপরেও জানতে চাই, আপনি আমাকে প্লিজ একটা ভ্যালিড কারন দেখান যেটার জন্যে আপনি নিজে বিশ্বাস করেন যে, বাচ্চা কান্না করা মাত্রই তাকে সাথে সাথে উঠে গিয়ে সামলাতে হবে, হোক সে আপনি অন্য যেই দরকারি কাজেই ব্যস্ত থাকুন না কেন?(এখানে আপনার জন্য ঠিকমত খাওয়া শেষ করাটাও কিন্তু একটা ভীষণ জরুরী কাজই ছিল!!)

এই প্রশ্নটা উৎসর্গ করা হল, এই এটিচিউডটি আপনি আপনার বর্তমান রুটিনের যতগুলো বেসিক কাজে এপ্লাই করেন তার প্রত্যেকটার ক্ষেত্রে!

আমি এটা মানি যে, হ্যাঁ এই অল্প কয়েকটা মিনিটে আপনাকে না পেয়ে বাচ্চা কাঁদতে থাকলে আপনার বাচ্চার স্ট্রেস হরমোন লেভেল অনেক বাড়তে শুরু করবে। বাচ্চা হয়তো ভয়ংকর অস্থিরতা করবে। কিন্তু ভেবে দেখেন তো এর কোনটাই কি ওকে কোন লং টার্ম ঝুঁকিতে ফেলছে কীনা? Absolutely না! আপনি আপনার হাতের কাজটা সেরে যেই ওর কাছে ফিরে যাবেন, ওর দিকে তাকিয়ে হাসবেন, ওকে জড়িয়ে ধরবেন, খেলবেন একদম সাথে সাথে ওর স্টেস হরমোন ঠিকঠাক মত বেসলাইনে নেমে আসবে! আর এই পজিটিভ ইমোশনগুলো ওর একটু আগেকার ডিস্ট্রসকে ভুলিয়ে দেবে, compensate করবে।

অন্যদিকে আপনি আধা গোসলে, আধা খেয়ে নিজে স্ট্রেসড আউট হয়ে বাচ্চার কাছে দৌঁড়ে দৌঁড়ে আসার যে ট্রেন্ড (ইনফ্যাক্ট সামাজিক ট্রেন্ড) চালু করতে যাচ্ছেন তাতে কি হবে মিলিয়ে দেখেছেন? যত দিন যাবে দেখবেন এদিকে কিন্তু এটাতে বাচ্চার অভ্যাস হয়ে গেছে আর ওদিকে আপনি কিন্তু প্রতিবার সেই একই হাসি, আদর, খুনসু্ঁটি এনশিওর করতে পারছেন না! বরং দিন দিন এটা আপনার জন্যে খুব রোবটিক রিচুয়াল হয়ে যাচ্ছে! Care Giving তো আর কোন সহজ কাজ না! তাই আপনি না চাইলেও দেখবেন দিনে দিনে আরো tired, fatigued, agitated, demotivated হচ্ছেন ! যেটা বরং বাচ্চার জন্যে বেশি খারাপ।

আরেকটু ভেংগেই বলি ব্যাপারটা তাতে হয়তো এই ধরনের এটচিউড এর নেগেটিভ ইম্প্যাক্ট এর বিষয়টা আমরা সবাই আরো ভালো বুঝব। মিলাতে পারব।

একজন নতুন মা হিসেবে নিজের এখনকার লাইফ টা চিন্তা করুন, আপনার কন্টিনিউয়াস স্ট্রেস এর সাইকেল টা চিন্তা করুন, দিন-রাতের রুটিন টা দেখুন!!! Its all about baby! baby diaper! baby shampoo! baby powder! & baby what not!!! এবং বাচ্চার কান্না হল আপনার জীবনের ২৪×৭ এর রেড এলার্ট! আপনি শান্ত থাকার স্কোপটাই পাচ্ছেন না! এভাবে কয়দিন? একদিন, ১ মাস, ৩ মাস..? এরপর?
আপনার স্ট্রেস হরমোন লেভেল কিন্তু একটা মুহূর্তের জন্যে নরমালে নামছে না! শুধুমাত্র আপনি একজন মানুষ বলেই দেখবেন কোন না কোন একদিন রাতে বাচ্চার কান্না আপনার কাছে আর আতংক লাগবে না! লাগবে অসহ্য! বাচ্চার ড্রেস চেঞ্জ করতে করতে বিছানায় একটু জোরেই ফেলবেন হয়তো বাচ্চাটাকে যাতে সে ব্যথা পেয়েও না পায়, কান্না না থামতে চাইলে মাঝে মাঝে বাচ্চার উপর কপট রাগ দেখাবেন, কিছু রাগান্বিত বাক্যালাপ ও চলবে, হয়তো অনেকে ২-১ টা হালকা চড়-থাপ্পড় ও দিয়ে বসতে পারেন(With due respect to all mommies! No offence please)! আর এরপরে চলবে ভিন্ন নাটক- কেন এরকম রাক্ষসী কাজ করলেন ভেবে বাচ্চা ঘুমিয়ে গেলে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আপনার কান্নাকাটি চলবে! নিজেকে দোষ দেয়া চলবে! আপনি নিশ্চিত হবেন যে, আপনি একজন খারাপ মা! & the circle will go on if not checked!

আপনি তখনো কিন্তু বিশ্বাস করে বসে আছেন বাচ্চাকে শান্ত করতে পারছেন না বলেই আপনি স্ট্রেসড আউট! অর্থাৎ বাচ্চাই এর কারন!! No,no,no,no! Lets get this point right! বাচ্চা এখানে সেকেন্ডারি! এটা আপনার দিনের পর দিন অসুস্থভাবে adaptation এর ফল! যেখানে আপনি Wonder Woman এর রোল প্লে করতে চেয়েছেন, এবং আপনি ভুলে গেছেন এনিমেশন করে দেয়ার জন্যে এই চিত্রনাট্যে আর কাউকে নিয়োগ দেয়া হয় নাই! আপনার চুল,ড্রেস ঠিক করে দেয়ার জন্যে কোন মেক আপ আর্টিস্ট ও কিন্তু নেই! প্রোডাকশনে খাওয়া দাওয়ার দেখভাল করার লোকের ও অভাব!
পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশন নিয়ে লিখব বলে কিন্তু আজ বসিনি। আমি প্যারেন্টিং এর perspective থেকে বিষয়টাকে এড্রেস করতে চাচ্ছি। শুধু এই সিম্পল ম্যাসেজ টা মায়েদের দিতে বসেছি যে, একটা নবজাতক বাচ্চা ১০০% এটেনশন বোঝে না, ওর সেটার দরকারই নেই। বাচ্চাটা আরেকটু বড় হওয়ার পড়ে সেটা শতভাগ লাগবে (যখন কীনা উল্টো আমরা সেটা দেয়া বন্ধ করে দেই)! তাই এই যে ল্যাগ পিরিয়ডটা, যখন দেখছেন অলরেডি একটা secured attachment বাচ্চাটার সাথে আপনার হয়ে গেছে, নতুন মায়েদের তখন বাচ্চাদেরকে over attention না দিয়ে দরকার শুধু attention দেয়া। আর ফাঁকে ফোঁকড়ে নিজেদেরকে আরেকটু গুছিয়ে নেয়া। একটু সময় দেয়া। একটু দম ফেলা। নিজের প্রায়োরিটি লিস্টটা ব্যালান্স করা।কখনো খেয়াল করেছেন আপনাদের স্বামী-স্ত্রীর রিলেশনশিপটার কি দশা! সম্পর্কের পালস্ মেপে দেখেন! আলগা সূতোগুলো শক্ত করুন! হেলথি লাইফ স্টাইলে যতটা পারা যায় কমপ্লাই করা।

ফেসবুকে মাঝে মাঝে কিছু ট্রল দেখি যে, মা টয়লেটে, বাচ্চা কমোড ধরে দাঁড়িয়ে! মা পারলে নিজের মাথার সব চুল টেনে টেনে ছিঁড়ছেন! মেজাজ তিরিক্ষি! জগত সংসারের উপর বিরক্ত! আমরা বাচ্চা ভয়ংকর - কাচ্চা ভয়ংকর মেনে নিয়ে এসব ট্রলে দায়সারা গোছের sad reaction দেই! ব্যাপারটার পেছনকার বেশ কিছু সাইকোলজি আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়!
প্রথমত-

ভাবুন তো, এই বাচ্চাটাকে প্রথম ৭ দিন মায়ের পিছ পিছ টয়লেটে ঢুকতে না দিলে সে কি করতো? জাস্ট গলা ফাটিয়ে কাঁদত, আরেকটু বড় হলে নিশ্চিত কিছুদিন দরজার বাইরে মাটিতে গড়াগড়ি দিত! এই তো! আমরা জাস্ট এই কান্না টাই এক সেকেন্ড ও সহ্য করতে পারব না বলেই বাচ্চাটা কমোডের পাশে প্রথম দিন, দ্বিতীয় দিন এভাবে বছরের পর বছর থাকার ভ্যালিডিটিটা পেয়ে যায়! Its you who was the master mind for setting this CONDITIONING! Then why your kids are being blamed for it by yourself? আসলেই যদি প্রথম প্রথম বাচ্চার ১৫ মিনিটের কান্না নিতে পারার মত নিষ্ঠুর হওয়া যেত, বাচ্চাটার কন্ডিশনিং হয়তো অন্যভাবে হত! আমরাই তো বাচ্চার বিহেভিয়ার কে reinforced করেছি! আবার আমরাই ওদের দুষছি!

দ্বিতীয়ত-
মা হওয়ার সবচেয়ে বড় বিপত্তি কি জানেন? সেটা হল perfection। মায়ের একান্ত নিজের কিছু perfection থাকে। সাথে আমরা সমাজের অন্যান্য মানুষ মাকে কিছু পারফেকশন সংক্রান্ত অদৃশ্য ক্যাপ্সুল খাওয়াই। যার ডোজ কখনো কখনো ওভারডোজ। বাচ্চার কাঁদা চলবে না, ড্রেসে ময়লা থাকা চলবে না, খাওয়া-গোসলের টাইম ৫-১০ মিনিট এদিক সেদিক হওয়া চলবে না! আর এদিকে মা হবেন সেল্ফলেস! তিনি খাওয়া-ঘুম-গোসল-ফ্রি টাইম বন্ধক দিয়ে দেবেন!

খারাপ লাগে যখন দেখি একটা বাচ্চা কাঁদছে মানেই 'এই টা আবার কেমন মা যে বাচ্চার কান্না থামাইতে পারে না ? - এই ধরনের আনরিয়েলিস্টিক এক্সপেক্টেশন সফল মায়ের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে কাজ করে! বাচ্চার কান্নার আওয়াজে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি উপদেশ দিতে যে, "এভাবে থামাও, ওভাবে থামাও! আরে পারতেছ না কেন? " - Cant we take a break? & help the distressed mom? কোন হেল্প করা পসিবল না হলে এটলিস্ট নিজেদের মুখটা বন্ধ রাখা! মায়ের প্রতি ভালোবাসা থেকে না, বাচ্চার প্রতি ভালোবাসার স্বার্থে! আমরা তো উপদেশ দিয়ে সরে যাব যার যার কাজে! একজন ডিস্ট্রেসড মায়ের কাছে থাকবে বাচ্চাটা! বাচ্চাটার জন্যে তো অন্তত মায়া করতে শিখি!

'বাচ্চা কাঁদে মানেই তুমি খারাপ মা' - মায়েদের খেয়াল রাখতে হবে যাতে এই unhealthy cognition আমাদের মাথায় শিকড় না গেঁড়ে বসে! এটা একটা ফাঁদ! জেনে নিন এবং এটা বিশ্বাস করুন যে, এসব কথা বলা আপনি চাইলেই সবাই বন্ধ করে দেবে সেই চান্সটা কম! কিন্তু পার্থক্যটা হল একবার এইসব কথাবার্তাকে যদি আপনি আপনার Inner Voice করে ফেলেন your journey of motherhood will turn into a battle for you! & it will never give you contentment.

একটু নিষ্ঠুর এবং স্বার্থপর হলে কিন্তু আরো অনেক সুফল! মজার ব্যাপার কি জানেন? একটা ছোট বাচ্চা ডিস্ট্রেসে নিজে নিজেকে শান্ত করার ও কিছু কিছু কৌশল ন্যাচারালি বুঝে নেয়! যেটা আমরা মায়েরা চাইলে খুব ছোটবেলা থেকেই নার্চার করতে পারি! ইনফ্যাক্ট বাচ্চার resilience তৈরিতে এটা কাজে লেগেই যাবে ভবিষ্যতে। তাই আসলে আমাদের হারানোর কিছু নেই।

অনেক সময় ইন্সটিক্টটিভলি মায়েরা অন্যভাবে তাদের স্ট্রেসকে re-channel করি। 'বাচ্চার সব কিছু এক হাতে করি,ও আমার সাথে ২৪ ঘন্টা আঠার মত লেগে থাকে!আমি এক সেকেন্ড ও ওকে চোখের আড়াল করিনা" - এধরনের কথা আমাদের অন্যদেরকে বলতে ভাল লাগে সেটা কেউ স্বীকার করুক বা না করুক। কিন্তু দুঃজনক হল, এসব বলে আমরা আমাদের adaptation এর ব্যাপারটাকে অনেক ক্ষেত্রে জাস্টিফাই করি। এই self boasting যদি আসলেই মাকে ভাল রাখে তাহলে সেটা absolutely fine! কিন্তু কাহিনী যদি এমন হয় যে, সারা পৃথিবীর সামনে সেরা মা হতে গিয়ে someone is so drained out তাহলে বলব যাতে ইস্যুটা নিয়ে গুরুত্ব সহকারে ভাবা হয়!

আপনি পজিটিভ রিমার্কস অন্যভাবে নিজেকে দিতে পারেন! বিকালের কফির মগ টা জিভ না পুড়িয়ে ধীরে সুস্থে শরতের নীল আকাশের পেঁজা তুলোর মত মেঘ দেখতে দেখতে শেষ করেন! আরো এনার্জি আর মন ভালোর সার্টিফিকেট নিয়ে বাচ্চার কাছে আসুন, ওর সামনে হাসুন! সারা পৃথিবীর জানার দরকার নাই আপনি কতটা শক্তিশালী! আপনার বাচ্চার বিলিয়ন বিলিয়ন নিউরোন জানুক পজিটিভিটি কি জিনিস, ওর মা আসলেই কি? যদি ভাবেন, বাচ্চারা এসব বোঝেনা তবে জানুন আপনি ভুল! খুব ভুল! ভীষণ ভুল। আপনার কপালের ভাঁজ, চোখের কালি, ঠোঁটের কোণের হাসি, আপনার গায়ের গন্ধ আপনার প্রতিটা gesture ও প্রথম দিন থেকে বোঝে! এমন কি রিসার্চ বলে মায়ের anxiety, depression, stress সবার আগে যেই মানুষটা smell করতে পারে সে আর কেউ না! আপনার কোলের সন্তান যে কথা পর্যন্ত বলতে শেখেনি! ওকে ঠকাবেন ভাবছেন? এতোই কি সোজা?

তাই মাতৃত্বের অতি ভালোবাসায় কিছু নিষ্ঠুরতা যোগ করুন by taking care of your own-self first! স্বার্থপরতা যোগ করুন বুকে পাথর চেপে, যেটা আপনার মেন্টাল হেলথ এর জন্যে ভাল, আর in long run আপনার সোনামনির জন্যে ভাল।আপনার গ্যাঁদু বাচ্চাটা একটা হাসিখুশি মা চায়, প্যাঁচামুখী মা না। একটু নিষ্ঠুর হয়ে হলেও বরং সেটা নিশ্চিত করতে শিখুন ! & As for the SOCIETY (Its Excellence) being the concern, lets get used to absorb all those verbal abuses for being the proud mom of a কাঁন্দুনি বাচ্চা & finish your meal, shower, leisure, everything like a professional! Add positivist to your wonderful journey of parenting!

(এই ফাঁকে আরেকবার বলে রাখি, বাচ্চাদের প্রতি gross negligence কে এই টপিকটার সাথে দয়া করে মিলিয়ে ফেলবেন না। সেটা জাস্টিফাই করার প্রশ্নই আসেনা!)

একেবারে শেষে এসে যদি নতুন মায়েদেরকে এই লেখাটির সারমর্ম বলি, তবে খোলাচোখে সেটাকে অদ্ভূত একটা ফিলোসফির মত শোনাবে! কিন্তু সত্যি বলতে এর ব্যাখ্যাটা আত্মস্থ করা প্যারেন্টিং এর জন্যে ভীষণ জরুরী বলে আমি বিশ্বাস করি -
Stay selfish & cruel to become more selfless and kind in the process of parenting.
.
#প্যারেন্টিং
Writer- Dr. Shusama Reza Rakhi

কোন মন্তব্য নেই