পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

আমাদের ঘর কি ইসলামী ঘর?

মূল: ড. আইশা হামদান
অনুবাদ: মাস‘ঊদ শারীফ

আল্লাহ সুবহ়ানাহু ওয়া তা‘আলা বলেছেন, “আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের ঘরে বসবাসের ব্যবস্থা করেছেন...” [১]

প্রশ্নটা (শিরোনামটা) হয়তো শুনতে কিছুটা অদ্ভুত লাগতে পারে। অনেকে হয়তো শোনা মাত্রই বলে বসবেন, “আমার বাড়ি অবশ্যই ইসলামিক বাড়ি!! আমরা মুসলিম পরিবার, কাজেই আমাদের বাড়ি পুরোপুরি ইসলামিক!!” আসলেই কি? নিচে দেওয়া ছোট্ট চেকলিস্টের সাথে মিলিয়ে দেখুন তো আসলেই আপনার বাড়ি ইসলামিক কি না?


১. আমি একজন ধার্মিক জীবনসঙ্গী বেছে নিয়েছি?

ধার্মিক ও ন্যায়নিষ্ঠ জীবনসঙ্গীর ব্যাপারে অনেক হ়াদীস়েই গুরুত্বের সঙ্গে বলা হয়েছে। কেন বলা হয়েছে সেটাও স্পষ্ট: সাধারণ জীবনসঙ্গীদের তুলনায় একজন ধার্মিক জীবনসঙ্গী সংসারে অধিক সুখ ও পরিতৃপ্তির পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবে। স্ত্রী ধার্মিক হলে অন্যান্য স্ত্রীদের সাথে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবে। ধার্মিক স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে গড়ে তুলতে পারবে একটি ন্যায়নিষ্ঠ ও ধার্মিক পরিবার। আর এটাই ইসলামিক বাড়ির মূল ভিত্তি।

২. আমি আমার জীবনসঙ্গীকে সাহায্য করি ?

প্রত্যেকের নিজ নিজ কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন, দুজনের মধ্যে মমতা ও ভালোবাসার বন্ধনের মাধ্যমে গড়ে ওঠে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক একটি পরিবার। অন্যান্য আধ্যাত্মিক ব্যাপারগুলোতে পরস্পরকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার মাধ্যমে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হতে থাকে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ঈমান বাড়ানোর জন্য সংগ্রাম করা; ‘ইবাদাহ্‌র প্রতি যথাযথ মনোযোগ দেওয়া; প্রয়োজন হলে শুধরে দেওয়া; ক়ুর’আন তিলাওয়াত করতে উৎসাহিত করা; তাহাজ্জুদ সলাত পড়া; দান করা; ইসলামি বই, ম্যাগাজিন পড়া; ধার্মিক বন্ধু বাছাই করতে সাহায্য করা; ভালো কাজের আদেশ দেওয়া এবং মন্দ কাজ করতে নিষেধ করা। ঈমান এমন এক জিনিস যা কখনো বাড়ে, কখনো কমে। কাজেই নিজেদের ঈমান বাড়ানোর প্রতি যেমন খেয়াল রাখতে হবে, তেমনি খেয়াল রাখতে হবে আমাদের জীবনসঙ্গীদের ঈমানও যেন ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে।

৩. আমাদের বাড়ি আল্লাহর যিক্‌রের স্থান ?

বহু উপায়ে আল্লাহর যিক্‌র করা যায়: মনে মনে, নির্দিষ্ট কিছু যিক্‌র পাঠ করে, সলাতের মাধ্যমে, ক়ুর’আন আবৃত্তি করে, আযকার মুখস্থ করে, ইসলামিক ইস্যু আলোচনার মাধ্যমে কিংবা ইসলামিক বিভিন্ন বিষয় পড়ে পড়ে। ফেরেশতারা যেন আল্লাহর বারাকা নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে সেজন্য নিয়মিত ঘরে এ ধরনের যিক্‌র হওয়া প্রয়োজন। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, “যে-ঘরে আল্লাহর স্মরণ করা হয় আর যে ঘরে স্মরণ করা হয় না, তাদের তুলনা হচ্ছে যেন একটি জীবিত আর অপরটি মৃত।” [২]

৪. আমাদের ঘর ‘ইবাদাতের ঘর ?

অর্থাৎ যথাযথ সময়ে আমাদের ঘরে সলাত আদায় করা হয়। আর যখন পরিবারের একাধিক সদস্য উপস্থিত থাকে, তখন সবাই একসাথে জামা‘আত-বদ্ধ হয়ে সলাত আদায় করে।

কেউ কেউ তাদের বাসায় সলাত আদায়ের জন্য আলাদা একটা ঘরও রাখতে পারেন। বিশেষ করে খেয়াল রাখবেন সেই ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাতন্ত্র্য যেন বজায় থাকে। নারীদের জন্য সলাত বাসায় পড়াই উত্তম। আর পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক সালাতগুলো মাসজিদে আদায়ের পর, ঐচ্ছিক সালাতগুলো বাসায় পড়তে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “অন্যের সাথে পড়ার চেয়ে বাসায় ঐচ্ছিক সলাত পড়া উত্তম; ফার্দ় সলাত যেমন একা একা না পড়ে জামা‘আত-বদ্ধভাবে পড়া উত্তম।”[৩] এটা এজন্য যে, যাতে মাসজিদের মতো বাসাও ‘ইবাদাতের স্থান হিসেবে পরিগণিত হয়।

৫. শয়তানকে দূরে রাখার জন্য আমরা নিয়মিত সূরাহ আল-বাক়ারাহ ও আয়াতুল-কুরসি তিলাওয়াত করি ?

আল্লাহর বার্তাবাহক বলেছেন, “তোমাদের বাড়িতে সূরাহ আল-বাক়ারাহ তিলাওয়াত করো। কেননা, যে বাড়িতে সূরাহ আল-বাক়ারাহ তিলাওয়াত করা হয় শয়তান সেই বাড়িতে প্রবেশ করে না।”[৪] তিনি আরও বলেছেন, “যখন তোমরা বিছানায় [ঘুমাতে] যাবে তখন আয়াতুল-কুরসি পাঠ করো: ‘আল্লাহ! তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব, অবিনশ্বর’—এই আয়াতের শেষ পর্যন্ত। এই আয়াত তিলাওয়াতের ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার জন্য একজন অভিভাবক নিযুক্ত করা হবে, আর সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে ঘেঁষতে পারবে না।[৫]

৬. পড়াশোনা আমাদের ঘরের এক চলমান প্রক্রিয়া ?

এই দায়িত্ব প্রাথমিকভাবে ঘরের মূল কর্তার। তাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, তিনি তার পরিবারকে সঠিক পথে চালিত করছেন: ভালো কাজের আদেশ দিচ্ছেন, মন্দ কাজে নিষেধ করছেন। পরিবারের সব সদস্যের উপর জ্ঞান অর্জন অত্যাবশ্যক। জ্ঞানের ভিত্তিতেই সতেজ হয়ে ওঠে ঈমান। ইসলামের বুনিয়াদি বিষয় সম্পর্কে অবহিত সদস্যদের দিয়ে একটি পাঠচক্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে যেখান থেকে পরিবারের সব সদস্য উপকৃত হতে পারবে। এসব পাঠচক্রে অংশগ্রহণের জন্য শিশুদের বিশেষভাবে উৎসাহ দিতে হবে। তাতে করে তারা এতে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে তাদের জীবনেও তারা এর বাস্তবায়ন করবে।

৭. আমাদের ঘরে ইসলামিক লাইব্রেরি আছে ?

এসব লাইব্রেরিতে স্থান পেতে পারে বই, ইসলামি ক্যাসেট ও সিডি। পরিবারের সদস্যরা যেন উপকৃত হতে পারে সেজন্য এসব বই ও সিডির বিষয়বস্তুগুলো সঠিক ও নির্ভরযোগ্য হওয়া জরুরি। বইপত্র ও সিডির সংগ্রহ বৈচিত্রময় হওয়া উচিত। এতে করে পরিবারে ছোট সদস্য থেকে শুরু করে বড়রাও লাইব্রেরি থেকে পছন্দমাফিক বই বা সিডি বাছাই করে নিতে পারবে। পরিবারের সদস্যদের উপযোগী বিভিন্ন ভাষার বই/সিডি রাখা যেতে পারে। আরবি বই বা সিডি তো অবশ্যই থাকতে হবে। পরিবারের সদস্যদের ক়ুর’আনের ভাষা জানতে হবে। না জানলে শেখার প্রক্রিয়ায় থাকতে হবে। আর বইগুলো হতে পারে বিভিন্ন বিষয়ের উপর। সহজেই যেন বিষয়মাফিক বই খুঁজে পাওয়া এ জন্য ঠিকমতো সাজিয়ে রাখতে হবে। সিডিগুলো হতে পারে ক়ুর’আন তিলাওয়াতের উপর, ইসলামি লেকচার, খুতবা, ছোট শিশুদের জন্য দু‘আমূলক ও আদবকায়দা শেখানোর সিডি, নাশীদ (বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার ছাড়া ইসলামিক গান) ইত্যাদি। পরিবারের সদস্যদের একে অপরকে প্রতিনিয়ত এসব বই ও সিডি ব্যবহার করতে উৎসাহ দিতে হবে। অন্যান্য যেসব মুসলিম পরিবারে এগুলো প্রয়োজন তাদের সাথে এসব বই ও সিডি শেয়ার করতে হবে।

৮. নাবি মুহ়াম্মাদের মতো নৈতিকতা ও আদব বজায় রাখার চেষ্টা করি ?

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কোনো বাসার লোকদের প্রতি আল্লাহ যখন ভালো কিছু ইচ্ছে করেন তখন তিনি তাদের মধ্যে দয়া ছড়িয়ে দেন।”[৬] তিনি আরও বলেছেন, “আল্লাহ দয়াশীলতাকে ভালোবাসেন। দয়াশীলতাকে আল্লাহ এমনভাবে পুরস্কৃত করেন যেমনটা আর কিছুর জন্য করেন না।”[৭] নাবি সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের দয়া, মানুষের সঙ্গে তার সদাচরণের অসংখ্য উদাহরণ ছড়িয়ে আছে যেগুলো আমরা অনুকরণের চেষ্টা করতে পারি। স্ত্রীদের প্রতি তাঁর ছিল গভীর ভালোবাসা। বাচ্চাদের সঙ্গে তিনি প্রায়ই খেলতেন। ঘরের কাজে স্ত্রীদের সাহায্য করার জন্য প্রায়ই তিনি তাদের সাহায্য করতেন। এভাবে তাঁর উদাহরণ অনুসরণ করে আমরা আমাদের বাসাকে পরিণত করতে পারি শান্তির নীড়ে।

৯. বাসাসংক্রান্ত ইসলামিক বিধানগুলো আমরা জানি ?

যেমন ঘরের গোপন কথা বাইরে না বলা, ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি নেওয়া, অন্যের বাড়িতে উঁকিঝুঁকি না দেওয়া, দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে বাবা-মা’র বিছানার ঘরে সন্তানদের প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং রাতে একাকী বাইরে না-থাকা। শেষেরটি খুবই কৌতূহলউদ্দীপক কেননা, অনেক স্বামীকে ব্যবসা কিংবা কাজের জন্য মাঝেমধ্যে বাড়ির বাইরে থাকতে হতে পারে। কিন্তু রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এতে নিরুৎসাহিত করেছেন। ইব্‌ন ‘উমার থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম একা থাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, রাতে যেন কেউ একা না থাকে কিংবা একাকী ভ্রমণে না বের হয়। [৮] একা একা রাতে থাকলে সে তো একা থাকবেই, তার স্ত্রী-বাচ্চারাও কোনো নিরাপত্তা ছাড়াই বা সঙ্গীবিহীনভাবে একা পড়ে থাকবে।

১০. আমরা আমাদের ঘরে ধার্মিক ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের নিমন্ত্রণ করি ?

“আমার প্রভু! আমাকে ও আমার বাবা-মাকে ক্ষমা করুন। এবং বিশ্বাসী হিসেবে আমার ঘরে যে প্রবেশ করে তাকেও ক্ষমা করুন। আরও ক্ষমা করুন সব বিশ্বাসী পুরুষ ও নারীদের।” [৯] ঘরে ন্যয়নিষ্ঠ মানুষদের নিয়মিত উপস্থিতি ও তাদের সাথে কথোপকথন প্রভূত কল্যাণ বয়ে আনে। এ ধরনের মানুষেরা কল্যাণকর বিষয়েই বেশি কথা বলবে। কল্যাণকর জ্ঞান ও তথ্যের জন্য তারা হতে পারেন অনন্য উৎস। আমাদের সবসময় এই দু‘আ করা উচিত আল্লাহ যেন আমাদের ন্যায়নিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব দিয়ে অনুগ্রহ করেন। নাবি সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “কেবল বিশ্বাসীদের সাথে সাহচার্য রাখবে। ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্য কেউ যেন তোমার খাবার না খায়।” [১০]

১১. আমাদের ঘরে মন্দ কিছু নেই ?

আমাদের ঘরে কোনো টেলিভিশন নেই, কোনো হারাম বাদ্যবাজনা আমাদের ঘরে বাজে না। (শিক্ষামূলক ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ঘরে টেলিভিশন থাকতে পারে।) ঘরের দেওয়ালে টাঙানো ছবিগুলোতে কোনো প্রাণীর ছবি নেই। মূর্তি কিংবা ভাস্কর্যের মতো কিছু ঘরে নেই। ঘরে কুকুর নেই, ধূমপান নিষিদ্ধ। অতিরিক্ত আড়ম্বর এড়াতে আমাদের ঘরের সাজসজ্জা খুবই সাধারণ। শুধু ভালো কাজেই টেলিফোন কিংবা মোবাইল ব্যবহৃত হয়; পরনিন্দা বা পরচর্চার উদ্দেশ্যে নয়। কেউ বেরাতে এলে, পুরুষ ও নারীদের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা বসার ব্যবস্থা। উপরোক্ত জিনিসগুলো ঠিকঠাক রাখা না হলে তার খারাপ প্রভাব বাড়ির উপর পড়বেই। উদাহরণস্বরূপ, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ঘরে ছবি টাঙানো থাকে কিংবা কুকুর থাকে ফেরেশতারা সেই ঘরে প্রবেশ করে না।” [১১]

১২. আমাদের বাড়ির অবস্থানও ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা পালনে সহায়ক ?

বাসা যদি মাসজিদের আশেপাশে হয় তাহলে বাড়ির পুরুষদের জন্য মাসজিদে সলাত পড়তে খুব সুবিধা। মাসজিদে যদি নিয়মিত হালাকা, ক়ুর’আন শিক্ষা ইত্যাদি কার্যক্রম চলে তাহলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এতে সহজেই যোগ দিতে পারবে। বাসা এমন জায়গায় নিতে হবে যেন আশেপাশেও মুসলিম পরিবার থাকে। নিকট প্রতিবেশীদের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে; পাপপরায়ণ প্রতিবেশী থেকে দূরে থাকতে হবে। বাসা নেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে নারী ও পুরুষদের জন্য যেন আলাদা বসার ব্যবস্থা থাকে। বাড়ি হতে হবে প্রশস্ত। নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা যেন থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্বাস্থপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

আপনার স্কোর কত?

উপরের দেওয়া ১২টি পয়েন্টের সাথে মিলিয়ে দেখুন আপনার স্কোর কত?

১০-১২: অভিনন্দন। আপনার ঘর প্রকৃত অর্থেই ইসলামিক ঘর। সঠিক পথেই আছেন আপনি।

৭-৯: ভালো। তবে আপনার ঘরকে প্রকৃত ইসলামি ঘর হিসেবে গড়ে তুলতে আরও একটু কাজ করতে হবে। আল্লাহর সাহায্যে সেই কাজটা তেমন কঠিন হবে না।

৪-৬: খারাপ। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাঁর কাছ থেকে পুরস্কার লাভের জন্য আপনাকে ও আপনার পরিবারকে অনেক কাজ করতে হবে। পরিবারের অনেক দিক বদলানোর দিকে নজর দিতে হবে।

০-৩: খুব খারাপ। খুব বড় ধরনের পরিবর্তন দরকার আপনার ঘরকে ইসলামি ঘর হিসেবে রূপান্তরিত করার জন্য।


[১] সূরাহ আন-নাহ্‌ল, ১৬:৮০

[২] মুসলিম

[৩] স়াহ়ীহ় আল-জামি

[৪] স়াহ়ীহ় আল-জামি

[৫] বুখারি

[৬] আহ়মাদ, স়াহ়ীহ় আল-জামি

[৭] মুসলিম

[৮] আহ়মাদ

[৯] সূরাহ নূহ, ৭১:২৮

[১০] আবূ দাঊদ, আত-তিরমিযী

[১১] বুখারি

সৌজন্যে: আল-জুমু‘আহ ম্যাগাজিন





কোন মন্তব্য নেই