পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

জন্মসূত্রে মুসলিম : গর্ববোধের কিছু নেই

…………………………………
মুসলিম পরিবারে জন্ম লাভের সৌভাগ্য হয়েছে এমন“মুসলিমদের” অবশ্যই মনে রাখা উচিত যে,একারণে এমনিতেই তারা জান্নাত পেয়ে যাবেন না। কারণ নাবি (সা.) সতর্ক করে বলেছেন যে, মুসলিম জাতির একটি বিরাট অংশ ইহুদি-খ্রিষ্টানদের এমনভাবে অনুসরণ করবে যে, তারা যদি গুইসাপের গর্তে প্রবেশ করে, তারাও তাদের পিছু নেবে।


তিনি আরও বলেছেন যে, কিয়ামাতের পূর্বে কিছু মুসলিম বাস্তবেই মূর্তি পূজা করবে। এদের সবাই মুসলিম নাম ধারণ করবে এবং নিজেদেরকে মুসলিম বলে বিবেচনা করবে। কিন্তু শেষ বিচারের দিন এসব তাদের কোনো উপকারেই আসবে না।


আজ সবখানেই এমন একদল মুসলিম রয়েছে যারা মৃতদের কাছে প্রার্থনা করছে, কবরের উপর স্মৃতিসৌধ এবং মাসজিদ নির্মাণ করছে,এমনকি সেগুলোকে সামনে রেখে ইবাদাত করছে। এমনও লোক আছে যারা নিজদেরকে মুসলিম দাবি করে, আবার আলিকে আল্লাহ মনে করে তার পূজা করে। অনেকেই কুর’আনকে সৌভাগ্যের মন্ত্র বানিয়ে গলায়, গাড়ীতে, চাবির রিং ইত্যাদিতে ঝুলিয়ে রেখেছে।কাজেই পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুসারী এমন মুসলিম সমাজে জন্মগ্রহণকারীদেরকে অবশ্যই ভেবে দেখতে হবে, তারা কি ঘটনাক্রমে মুসলিম নাকি ইসলাম ধর্মকে তারা সত্যিই পছন্দ করে গ্রহণ করেছে। তাদের বাবা-মা কিংবা সমাজ ও জাতির লোকেরা যা করে, সেটাই কি তাদের কাছে ইসলাম? নাকি কুর’আন যা শিক্ষা দেয় এবং নাবি (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণ যা করেছিলেন তা-ই ইসলাম?


'এক' -আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস

কোন মন্তব্য নেই