Ticker

6/recent/ticker-posts

Advertisement

শয়তানের কতিপয় দুর্বলতা ও অক্ষমতা

জ্বিন মানুষের মতোই, কোথাও সে শক্তিশালী, কোথাও বড় দুর্বল। শয়তান শক্তিশালী হলেও তার চক্রান্তের ব্যাপারে মহান আল্লাহ্ বলেন:


"নিশ্চয়ই শয়তানের চক্রান্ত দুর্বল।" -(সূরা আন নিসা: ৭৬)


প্রথমত:
নেক লোকদের উপর শয়তানের কোন আধিপত্য নেই। শয়তানের শক্তি ও প্রতিজ্ঞা আছে, সে আদম সন্তানকে পথভ্রষ্ট করবে। কিন্তু সকলকে নয়। কিছু লোকের কাছে সে বড় মিসকীন ও দুর্বল। তাদেরকে সে কুফরী ও ভ্রষ্টতার বাধ্য করতে সক্ষম হবে না। চেষ্টা তো করবে, কিন্ত সফল হবে না। কারণ তাদের বুনিয়াদ হবে মজবুত, তাদের ঈমান হবে সুদৃঢ়, তাদের আমল হবে নেক এবং তাদের সহায়ক হবেন খোদ প্রতিপালক । তিনি বলেছেন,

"আমার দাসদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই। আর কর্মবিধায়ক হিসাবে তোমার প্রতিপালকই যথেষ্ট।" -(সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত: ৬৫)

শয়তানের আধিপত্য কেবল তাদের উপর, যারা তার চিন্তা-চেতনায় এক মতাবলম্বী । যারা স্বেচ্ছায় তার অনুসরণ করে এবং সৃষ্টিকর্তার অবাধ্যতা করে । মহান আল্লাহ্ বলেছেন,

"বিভ্রান্তদের মধ্য হতে যারা তোমার (শয়তানের) অনুসরণ করবে তারা ছাড়া আমার (একনিষ্ঠ) বান্দাদের উপর তোমার কোন আধিপত্য থাকবে না।"-(সূরা আল হিজ্বর, আয়াত: ৪২)


দ্বিতীয়ত:
শয়তান কিছু মু'মিনকে দেখে ভয়ে পালায়ন করে।কোন বান্দা যখন ইসলামে পরিপক্বতা লাভ করে, ঈমান তার মর্মমূলে বদ্ধমূল হয়, মহান আল্লাহর সীমারেখার হিফাযত করে, তখন শয়তান তার সাক্ষাতে ভয় করে এবং তাকে দেখে পলায়ন করে ।

তেমনই একজন ব্যক্তি ছিলেন উমার বিন খাত্তাব (রা:)। শয়তান তাঁকে ভয় করত। নবী (সা:) তাঁকে বলেছিলেন, "শয়তান অবশ্যই তোমাকে ভয় করে হে উমার!" (তিরমিযী)

তৃতীয়ত:
শয়তান স্বপ্নে নবী (সা:) এর রূপ ধারণ করতে পারে না।

চতুর্থত:
শয়তানেরা কোন মু'জিযা দেখাতে সক্ষম নয়।

পঞ্চমত:
মহাকাশে তাদের নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না।

ষষ্ঠত:
আল্লাহর নাম নিয়ে বন্ধ দরজা তারা খুলতে পারে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ