পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

একটি সুন্দর আগামীর স্বপ্ন

সেহরী খেয়ে ফেইসবুকে ঢুকতেই হোম পেইজ ভর্তি ভাইদের আফসোস আর দুঃখ দেখে প্রথমে কিছু বুঝে উঠছিলাম না৷ ভাবছিলাম এ আর নতুন কি প্রতিনিয়ত যে বন্দুক যুদ্ধ চলে আসছে হয়তো এরই একটি৷ কিন্তু সকাল বেলায় আরেকটু ক্লিয়ার হলে বুঝতে পারলাম এটা ভিন্ন ধারার বন্দুক যুদ্ধ৷ যেখানে দু-পক্ষই সক্রিয়৷ আর মাঝখানে জিম্মি রয়েছে কিছু বুঝে না উঠা মানুষ৷


দৈনিক প্রথম আলোর সূত্রে সর্বশেষ যতটুকু জানতে পেরেছি, রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় নিহত ২০ জনের মধ্যে নয়জনই ইতালির নাগরিক। এ ছাড়া সাতজন জাপানের ও একজন ভারতের নাগরিক রয়েছেন। বাকি তিনজন বাংলাদেশি। [জুলাই ০২, ২০১৬ ]


অর্থাৎ এ ঘটনায় বাংলাদেশসহ অনেক দেশের মানুষই কষ্ট পেয়েছে৷ যা কখনো বাংলাদেশে স্বাভাবিক ঘটনা ছিলো না৷ তবে তা যেন প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে৷ দৈনিক পত্রিকাগুলো খুলতেই ভেসে আসে বন্দুক যুদ্ধ আর কুপিয়ে হত্যার ঘটনা৷ তাহলে কি করে আমরা একটি সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখতে পারি ? এর কতটুকুই বা সম্ভাবনা রয়েছে?

হ্যাঁ৷ আমরা এই পরিস্থিতি থেকেও একটি সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখতে পারি৷ তবে এর জন্য কিছু সংস্কার ও সংযোজন প্রয়োজন৷ যেহেতে ব্যাপারটা রাষ্ট্রীয় সেহেতু আমার ছোট মাথায় সুক্ষ্ম অনেক কিছুই ধরবে না৷ এছাড়া রাজনীতির মতো বিশাল মাঠে আমার শূণ্য বিচরণ নিয়ে দেশের জন্য বড় কিছু ভাবাও আমার পক্ষে অসম্ভব৷ তবে দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে যে ভাবনাগুলো আমার মনে জন্মেছে এগুলো অন্তত কিছুজনের সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছি -

প্রতিটা মানুষই চায় তার ছোট্ট জীবনটা নিরাপদে থাকুক৷ আর এরই ধারাবাহিকতায় একজন সাধারণ মানুষ তার মতোই আরেকটি মানুষকে (নিরাপত্তা কর্মী পরিচয় দেওয়ায়) ভয় ও মান্য করে৷ এজন্যই দেশের মানুষগুলো একজন দেশ পরিচালক নির্বাচিত করে তার অধীনে নিরাপদ থাকতে চায়৷ আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিটা মানুষের সাধারণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র পরিচালকের উপর বর্তায়৷ তাহলে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালক কতটুকু নিশ্চিত করতে পেরেছে? হতে পারে অনেকটাই। তবে যেটুকু বাকি রয়েছে তা কি করে সম্ভব ? নাকি বিশেষ অভিযান চালিয়েই সব সম্ভব? না; কারণ আমরা যে বিশেষ অভিযান দেখেছি এতে হাজার হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হলেও আর্টিজানে আক্রমণকারী ৬-৭ জন অধরাই ছিলো। তাহলে এতো এতো গ্রেপ্তারেই কি আমরা নিরাপদ রয়েছি? এককথায় না। যদি গ্রেপ্তারকৃত ঐ সাধারণ মানুষগুলোর কথা চিন্তা করি তবে এখনও অনেকখানি নিরাপত্তাহীন রয়েছি।

একটা দুর্ঘটনা কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। ঘটনার তদন্ত করা থেকে কে বা কারা দায়ি এবং পরবর্তী পদক্ষেপটা কি হতে পারে এ নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ আমরা এর ব্যতিক্রমই বেশি দেখে আসছি। উদাহরণস্বরূপ- সম্প্রতি তনু হত্যা ও বাবুল আকতারের স্ত্রী হত্যার তদন্ত রিপোর্টগুলোর খোঁজ নিতে পারি। যেখানেও মিলছে না প্রথম তদন্তের সাথে দ্বিতীয় তদন্ত রিপোর্ট। আরেকটা বিষয় হলো, আমাদের সমাজে যেকোন ঘটনায় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্তৃক যে কাউকে দায়ী করার দ্রুততা দেখা যায়। মনে হয় কে বেশি আপডেটেড তা প্রমাণ করার প্রতিযোগীতা চলছে। যা সত্যিকারে দায়ীদের বের করে আনতে বাধা সৃষ্টি করে কিংবা দীর্ঘায়িত করে। তাহলে কেন এই তাড়াহুরা? অবশ্যই এখানে কিছু বিষয় লুকিয়ে থাকে। আর তা দলীয় বিদ্বেষ থেকে কোন টার্গেট বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যেও হতে পারে। যদি এই ট্রেন্ড থেকে বেড়িয়ে আসা না যায়, তাহলে আমরা কখনোই জানতে পারবোনা প্রকৃত ঘটনা, আর খুঁজে পাবোনা এসব খুনীদের গডফাদারকেও।

একটা দেশে কারা বসবাস করছে, তাদের স্বভাব কেমন, এবং তারা কি চায় এসব বিষয়ের উপর ভিত্তি করেই একটি দেশ চলে। এসব দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশের প্রায় সবকিছুতেই মুসলিমদেরকে সামনে রাখতে হবে এবং তাদেরকেই ভিত্তি হিসেবে ধরতে হবে। আমার ধারণা এদেশে প্রতি ১০০০ জনে অন্তত ৫ জন এমন আলেম রয়েছেন যারা ইসলামকে দ্বীন হিসেবে নিয়েছে, অর্থাৎ তাঁরা ইসলামকে তাদের জীবনবিধান হিসেবে পছন্দ করেছেন। আর এই পাঁচজন আলেম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অন্তত আরো ৫০ জন মুসলিম ইসলামকে জীবনবিধান হিসেবে নিয়েছে। অর্থাৎ এদেশে অন্তত মোট জনসংখ্যার ৫.৫% (প্রায় ১ কোটি) মানুষ আছে যারা ইসলামকে বুঝে-শুনে গ্রহণ করেছে। এদের কাছে ইসলামই সব। এছাড়া আমাদের সমাজে অন্তত ৩০-৪০% মানুষ আছে যারা ইসলামকে সঠিকভাবে না বুঝেও ভালোবাসে। তারা হয়তো বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ইসলামকে প্র্যক্টিস করছে না, কিন্তু এমন নয় যে তারা ইসলামকে সহ্য করতে পারে না। বরং তারা ইসলামকে জন্মগতভাবেই খুব ভালোবাসে। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে প্রায় অর্ধেক মানুষই ইসলাম ধর্মের সাথে জড়িত, ইসলামকে ভালোবাসে এবং তারা কোন মতেই ইসলামের বিরোধিতা করতে রাজি নয়। বাকি অর্ধেকের সবাই যে ইসলামের বিরোধিতা করে এমন নয় । তাদের মধ্যে রয়েছে কিছু অবুঝ শিশু, কিছু বুঝে না উঠা মানুষ, কিছু ধর্মনিরপেক্ষ, কিছু অর্ধেক মুসলিম, কিছু অমুসলিম, আর কিছু ইসলাম বিরোধী। তবে সর্বোচ্চ ০.৫-১% মানুষ রয়েছে যারা প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে সবকিছুতেই ইসলামের বিরোধিতা করে। তাহলে সমাজে ঘটে যাওয়া নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে যদি চোখ বন্দ করে ইসলামকে দায়ী করা হয়, তাহলে অন্তত অর্ধেক মানুষ এর বিপরীতে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। কারণ ইসলাম তাদেরকে কোন প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড শিক্ষা দেয় নাই। আর এরই পরিপ্রেক্ষিতেই তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া অপবাদের প্রতিবাদে কোন একসময় কিছু অতি আবেগি মানুষের সৃষ্টি হতে পারে। যারা কিছু বুঝে না উঠার আগেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাবে, শুরু হবে প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিযোগিতা, আর অনিরাপদ হয়ে উঠবে একটি জনপদ। তাহলে কি উপায়? মুসলিমদের দোষারোপ না করাই কি সব সমাধান? অবশ্যই না। যেহেতু দেশে প্রায় ৯০% মানুষের পাশে ধর্ম হিসেবে ইসলাম লিখিত সেহেতু বিভিন্ন অপরাধে এদের সংখ্যাই বেশি হবে৷ তবে কে প্রকৃত দোষী তাকে চিহ্নিত করে কেবল তাকেই দায়ী করতে হবে। তার দাবি করা কিংবা জন্মসূত্রে পাওয়া ইসলামকে দোষারোপ করার কোন সুযোগ নেই। নয়তো একটা সাধারণ মুসলিমও হয়ে উঠতে পারে অতি আবেগী। এছাড়া কি করে ইসলাম সন্ত্রাসী ধর্ম হতে পারে যেখানে নিজ প্রতিবেশীর দায়িত্বও একজন সাধারণ মুসলিমের উপর ন্যস্ত থাকে, যেখানে অমুসলিমদের মধ্যেও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার তাগিদ রয়েছে, যেখানে নিজের ইচ্ছামতো সব সিদ্ধান্ত নেয়ার কোন সুযোগ নেই, যেখানে মানুষ হত্যা বড় অন্যায়। তাই একজন অতি আবেগী, ধর্মনিরপেক্ষ কিংবা অর্ধেক মুসলিমদের জন্য সরাসরি ইসলামকে কিংবা প্র্যক্টিসিং মুসলিমদের দোষারোপ করা কখনোই সমাধান হতে পারে না। অন্যথায় দেশের অধিকাংশ মানুষের বিপক্ষেই সরকারের পদক্ষেপ নিতে হবে, যা হবে ভুল সিদ্ধান্ত, আর সৃষ্টি হবে একটি অনিরাপদ ভূখন্ড। আর তা কখনোই আমাদের কাম্য নয়।

আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, ".... যে ব্যক্তি কাউকে অন্যায় ভাবে হত্যা করলো সে যেন সকল মানুষকেই হত্যা করলো এবং যে কারো জীবন রক্ষা করলো সে যেন সকল মানুষের জীবন রক্ষা করলো।" (সূরা-মায়িদা, অধ্যায়-৫, আয়াত-৩২)


জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করবে না, আল্লাহ্ও তার প্রতি দয়া করবেন না।" -[সহীহুল বুখারী: ৬০১৩, মুসলিম: ২৩১৯, রিয়াযুস স্বা-লিহীন: ২৩২]



আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "কিয়ামতের দিন প্রত্যেক হকদারের হক অবশ্যই আদায় করা হবে। এমনকি শিংবিহীন ছাগলকে শিংযুক্ত ছাগলের নিকট থেকে বদলা দেওয়া হবে।" -[মুসলিম: ২৫৮২; তিরমিযী ২৪২০; রিয়াযুস স্বা-লিহীন: ২০৯]


কোন একটি ক্রাইমের জন্য কাউকে দায়ী কিংবা সনাক্ত করার মধ্যেই সমস্যার সমাধান নয়, বরং সমাধানের শুরু কেবল । আর তা সম্পন্ন করতে ঘটনাটির অতীত-ভবিষ্যত সবদিক থেকেই বিবেচনা করতে হবে। কেন কোন হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে, ভবিষ্যতে কিভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে তা নিয়ে ভেবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ- ইসলাম নিয়ে কটাক্ষকারী কয়েকজনকে হত্যার ঘটনা সামনে আনা যায় । যেখানে মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের চেয়েও বেশি মানুষ ইসলামকে অন্তর থেকে ভালোবাসে সেখানে ইসলাম নিয়ে কটাক্ষ করা মানে ঐ দেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। তাই এসব কটাক্ষকারীদের কঠোর হাতে দমন করা ঐ দেশের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য খুবই জরুরী। অন্যথায় এরকম হত্যাকান্ড বন্দ করা একপ্রকার অসম্ভবই বটে। এটা এরকম ঘটনা পেছনে লুকিয়ে থাকা রহস্যের বিশ্লেষণ। অন্যদিকে সামনে যেন এরকম কিছু না হয় এজন্য আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী। যেহেতু এসব ঘটনার সাথে ইসলাম জড়িত সেহেতু এসব বিষয়ে আলেমদের স্মরণাপন্ন হওয়া খুব বেশি জরুরী। হত্যাকারীর শাস্তি কেমন হতে পারে, তারা কেমন অন্যায় করেছে, তাদের অন্যায় ক্ষমা যোগ্য কিনা এই বিষয়গুলো আলেমদের থেকে ক্লিয়ার হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর অবশ্যই ক্লাসিক্যাল আলেমদের সাথে আলোচনা করতে হবে, যারা অন্তরে ইসলাম লালনকারী মুসলিমদের নিকট গ্রহণীয়। অন্যথায় সঠিক রাস্তা খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

সর্বশেষ যে বিষয়টি সামনে আনতে চাচ্ছি তা হলো সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন হত্যাকান্ডে জড়িত ছেলেগুলো কারা এবং কিভাবে তাদের সৃষ্টি। বিভিন্ন তদন্তে রিপোর্টে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এদের বেশিরভাগই ক্লিন শেভড, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া। তার মানে এই না যে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া সকল ক্লিন শেভড ছেলেগুলো এইসব হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত। তবে এটাও ঠিক না যে মাদ্রাসাগুলোতে জঙ্গি তৈরী হয়, আর হুজুররাই জঙ্গিদের উস্তাদ। অথচ এরকম প্রতিক্রিয়াই আমাদের চোখে বেশি পড়ে, আমাদের নিরাপত্তাকর্মীরা দাড়িকে জঙ্গিদের একটি মৌলিক চিহ্ন ধরে নিয়েছে। যা খুবই অন্যায়। অন্যদিকে কোন দেশে এরকম কিছু হলে বিদেশী কোন তৎপরতা জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হয় প্রথমে। যেমন ইউরোপ-আমেরিকায় এখন কিছু হলে আইএস জড়িত কিনা তা তদন্ত করা হয়, ভারতে কিছু হলে পাকিস্তান জড়িত কিনা তা দেখা হয়, কিন্তু বাংলাদেশে এরকম কোন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে সরসরি কোন দল কিংবা গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়। যা আমাদেরকে মূল ঘটনা থেকে দূরে নিয়ে যায় । এমনকি একসময় একদম ভুলিয়েই দেয়। তাই এসব বিষয়ে আমাদের সঠিক সিদ্ধান্তে আসতে হবে। আর যে বয়সের ছেলেগুলো এমনটা করছে তাদেরকে কাউন্সেলিং করতে হবে। আর এ দায়িত্ব অবশ্যই উপযুক্ত কাউকে দিতে হবে৷ একজন অর্ধ মুসলিম কিংবা অমুসলিম দিয়ে কখনো একজন মুসলিমকে গাইড দেয়া যায় না৷ এতে বিশৃঙ্খলাই বাড়ে৷

পরিশেষে এসব বিষয়ে আমার স্বল্প চিন্তাভাবনাগুলো কেউ আমলে নিয়ে যদি বিস্তর পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি সুন্দর আগামী দেখতে চায় তখনই আমার স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে। তবে আমার একার স্বপ্ন পূরণে কোন সার্থকতা নেই, যতক্ষণ না আমরা সবাই একটি নিরাপদ জনপদে একটি সুন্দর জীবন চাই। যদিও পৃথিবীর ভবিষ্যৎ আমাদের এ চাওয়ার বিপরীতেই চলবে, তবুও আমাদের এ ইচ্ছা পূরণটা যেন আল্লাহ্ সহজ করে দেন এ কামনাই করি। (আমীন)

কোন মন্তব্য নেই