পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

সাইনটিজম (scientism) : “বিজ্ঞানই সত্যের একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস” – এই মতবাদ কতটুকু যৌক্তিক?


সাইনটিজম(scientism) : এই মতবাদে বিশ্বাসীরা বিশ্বাস করে বিজ্ঞানই সত্যের একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস। অর্থাৎ বিজ্ঞান যা বলবে তাই সত্য। অধিকাংশ নাস্তিকরাই এই মতবাদে বিশ্বাসী।
.
প্রথমত, নাস্তিকরা সত্য অনুসন্ধানের জন্য একমাত্র বিজ্ঞানকেই নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে গ্রহন করে, তাতে আমার কোন সমস্যা নেই। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় তখন, যখন মুসলিমরাও বিজ্ঞানকে সত্যের মানদণ্ড হিসেবে গ্রহন করে।
.
সমস্যা এই কারনে যে, বিজ্ঞান সদা পরিবর্তনশীল; অনেকটা এরশাদের মত, আজ এই কথা তো কাল সেই কথা। যেমন বিজ্ঞান আগে বলত, সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে; এখন বলে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে। তাই আজ যদি বলে ইসলাম সত্য, কাল বলবে মিথ্যা; তখন আপনি কি করবেন?
.
দ্বিতীয়ত, বিজ্ঞান দ্বারা ইসলামের সবকিছুকে যাচাই করা সম্ভব নয়, যেমন ঈসা (আঃ) এর জন্ম, চাঁদ দ্বিখণ্ডকরণ। বিজ্ঞানকে কেটে হাজার টুকরো করলেও কখনও স্বীকার করবে না যে, দু,হাজার বছর পূর্বে একজন নারী কোন প্রকার পুরুষের সংস্পর্শ ব্যতীত একটি সন্তান জন্ম দিয়েছিল।
.
তবে এটি ইসলাম নয় বরং বিজ্ঞানেরই সীমাবদ্ধতা। হাজার হোক বিজ্ঞান তো মানুষ দ্বারাই পরিচালিত। তাছাড়া এটি কিভাবে সম্ভব যে, আমরা মানুষ, আল্লাহর এক নগণ্য সৃষ্টি হয়ে রহস্য ভেদ করে ফেলব ঐ সত্তার যিনি চন্দ্র, সূর্য,পৃথিবী, মানুষ এবং পৃথিবীর সব কিছুরই সৃষ্টিকর্তা।
.
আমাদের মনে রাখতে হবে, অন্য সবকিছুর মত বিজ্ঞানেরও সীমাবদ্ধতা আছে, আছে হাজারো ভুল। তাই ত্রুটিপূর্ণ ও সদা পরিবর্তনশীল বিজ্ঞান দ্বারা ধ্রুব সত্য ইসলামকে যাচাই করে বাতুলতা বৈ আর কি?
========================
লেখকঃ নাফিয মুক্তাদির

অফিসিয়াল ওয়েব সাইট ঃ shottokothon.com  এবং response-to-anti-islam.com

ফেসবুক পেজঃ fb.com/shottokothon1

কোন মন্তব্য নেই