পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

ছুটে যাওয়া অর্থাৎ কাযা নামাজ আমরা কিভাবে আদায় করবো?


উত্তর দিচ্ছেন- শেখ সালাউদ্দিন আহম্মদ।
কাজা সলাতের পদ্ধতি সহীহ হাদীস অনুসারে আমরা আজকে জানব ইনশা আল্লাহ্।

আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার সলাত থেকে ঘুমিয়ে গেল সলাতের সময় চলে গিয়েছে অথবা ভুলেই গিয়েছে। বিলকুল খেয়াল নেই। মাগরিবের নামাজে দাড়াবে তখন মনে পড়েছে সে আছর ই তো পড়ে নাই। এরকম হয়। হতেই পারে। এক্ষেত্রে তার জন্য নিয়ম হল যখনই তার স্মরন হবে তখনই তার ওই সলাতের ওয়াক্ত।

ধরেন ফজরের সলাত ৫টা ১০এ। আপনি এ্যালার্ম দিয়েছেন ৫টায়। কিন্তু এল্যার্ম কখন বাজল আপনি টের পান নি। উঠে দেখেন যে, ৬টা ৩০ বেজে গেছে (নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক)। তখন আপনি কি করবেন?? আরও এক ঘন্টা ঘুমিয়ে নিবেন?? না। তখন যখন উঠেই গেছেন এই চিন্তা করবেন না যে সূর্য যখন উঠেই গেছে আরও এক ঘন্টা ঘুমিয়ে নেই তারপর উঠে কাজা পড়ব। না এই কাজা হবে না। যখন আপনার ঘুম ভাঙল আকল হল যে হ্যা আপনি উঠেছেন তখন শীত হোক গরম হোক যাই হোক আপনার প্রবৃত্তিকে পেছনে ফেলে দিয়ে ওযু করে দুরাকাআত সুন্নাহ এবং দু রাকাআত ফরজ আপনি আদায় করতে পারেন এতে আপনার কমপ্লিট নামায আদায় হয়ে যাবে।

আবার আপনি যদি ভুলে যান খেয়াল নেই আছরের সলাতে দাড়িয়েছেন মনে হল যে যোহরই তো পড়ি নাই তখন আপনি যোহরের সলাত পড়ে নিবেন। ওটাই আপনার ওয়াক্ত। এই দুই অবস্থা ছাড়া ইচ্ছাকৃত ভাবে যদি কেহ সলাত ছেড়ে দেয় কোন কাজ ছিলনা তাহলে এই ছেড়ে দেয়া নামাজের কোন কাজা আছে এর পক্ষে কোন দলিল আছে এরকম আমরা খুজে পাই না।

এই যে আপনার একসাথে এত ওয়াক্ত কাজা, উমরি কাজা, এই কাজা সেই কাজা বলে যত কাজার পদ্ধতি আছে এই কাজার কোন পদ্ধতি আমরা সহি হাদিসে খুজে পাই না। যাদি পাই তাহলে আমল করব। কিন্তু না পেলে কিভাবে করব। নিজেদের থেকে তো ইবাদত করা যায় না ভাই। ইবাদত আল্লাহর রাসূল (সঃ) যে ভাবে দিখেয়ে গিয়েছেন সেই ভাবেই হতে হবে।

২টি মন্তব্য:

  1. যদি কেউ ফজরে নিষিদ্ধ সময়ে ঘুম ভেঙ্গে যায় তখন কি নিষিদ্ধ সময় শেষ হবার অপেক্ষা করবে না ঐ অবস্থাতেই দ্রুত সালাত আদায় করবে?

    উত্তরমুছুন
  2. সালাতের নিষিদ্ধ সময় ঘুম ভাঙলে ঐ সময়ের পর আদায় করবে।

    উত্তরমুছুন