পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

'উল্টো নির্ণয়' বই রিভিউ


বই: উল্টো নির্ণয়
লেখক: মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর
রিভিউ লেখক: মুহাম্মাদ নাফিস নাওয়ার

সম্পাদনা : ওমর আল জাবির, শরীফ আবু হায়াত অপু
শার'ঈ সম্পাদনা : শায়খ আল্লামা নাছিরুদ্দিন খাকী
প্রচ্ছদ : মুহাম্মদ মাসুম আনসারী
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৪০
প্রকাশক : পরিপূরক প্রকাশনী
মূল্য : ৩০০ টাকা

বই পরিচিতি :
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু 'আলা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদ। ওয়া 'আলা আলিহি ওয়া সাহবিহি ওয়া সাল্লাম। সমস্ত প্রশংসা শুধুমাত্র আল্লাহ 'আযযা ওয়া জালের যিনি তাঁর বান্দাদের পথ দেখান। যিনি তাঁর ভুলে ডুবে থাকা বান্দাদের কখনোই ভুলে যান না, যদিও তাঁর বান্দারা তাঁকে আশ্চর্য দ্রুততায় ভুলে যায়। আল্লাহ তাঁর বান্দাকে শুধু মনেই রাখেন না, তাকে পরম ভালোবাসায় লালন পালন করেন। কিছুদিন নয়, সারাজীবন। টেনে তুলতে চান বান্দাকে ভুলের ঘূর্ণিপাক থেকে। কেউ কেউ ফিরে আসে তাঁর রাব্বের পথে। বুঝতে পারে তার উপর বর্ষিত হওয়া অজস্র নি'আমাত, চোখ ভিজে আসে তার। "উল্টো নির্ণয়" বইটি এমনই এক আল্লাহর বান্দার কিছু লেখনীর সংকলন। যে লেখাগুলোর প্রতিটি শব্দ মহান আল্লাহর প্রতি বান্দার কৃতজ্ঞতা, তাঁর প্রতি আনুগত্য ও সত্যান্বেষী মনোভাবের সাক্ষ্য বহন করছে।

রিভিউ:
সত্য সহজাত। সত্য উজ্জ্বল। সত্য সুন্দর। তাও মানুষ সত্য চিনতে ভুল করে। সত্যের পথ ভুলে যায়। সত্য গ্রহণে দেখায় অসীম অনীহা। সত্য নির্ণয়ে ভুল করে সে হারিয়ে যায় মিথ্যার ঘনকালো দুনিয়ায়। তখন প্রয়োজন হয়ে পড়ে সত্যকে নির্ণয় করার। আর সেটা এমনভাবে যাতে করে সত্যটা মানুষের চিন্তারজগতে ধাক্কা দেয়, তাকে জাগিয়ে তোলে অজ্ঞানতার ঘুম থেকে। 'উল্টো নির্ণয়" বইটি এই ভুলে যাওয়া সত্যটাকেই নির্ণয় করার একটি প্রয়াস, যেখানে লেখক সত্যকে নির্ণয় করতে চেয়েছেন উল্টো করে। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন সত্যের অবস্থান, সেই সাথে আমাদের বর্তমান অবস্থা।
এই বই কিসের বই? এটা এক পথহারা বান্দার আল্লাহর দিকে ফিরে আসার পরের গল্প। আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ এক বান্দার আল্লাহর প্রতি।মুগ্ধতার বিবরণ। মানুষকে আল্লাহর পথে আহবানের আকুতি নিয়ে লেখা কিছু অন্তর নিংড়ানো কথামালা। এইসব কিছু নিয়েই এই বই। বইয়ের শুরুতে শ্রদ্ধেয় তোয়াহা ভাই বলেই দিয়েছেন এটা একাডেমিক কোন বই না। এটা তাঁর অনুভূতির সারনির্যাস দিয়ে লেখা কিছু কথামাত্র। সত্য খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাওয়া তারপর আবার হাঁটতে থাকা, এই নিয়েই বইটি লেখা। মোট উনসত্তরটি শিরোনামে ছোট বড় লেখা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই বইটি। একেকটি লেখা একেকটি মাস্টারপিস! তবুও আলাদাভাবে কয়েকটি লেখার কথা বলতে বাধ্যই হচ্ছি একপ্রকার! এগুলোকে বলা যায় "Masterpieces in the Midst Of Masterpieces". এই লেখাগুলো যেকোন পাঠককেই নাড়িয়ে দেবে নিঃসন্দেহে। আলোড়িত করবে পাঠকের মানসজগতকে, প্রচণ্ডভাবে। এই তালিকায় প্রথমেই যে লেখাটির কথা বলা যায় সেটা হচ্ছে এই বইয়ের তৃতীয় লেখা। বলা।যায় বইটির মূল লেখা "উল্টো নির্ণয়"। লেখাটিকে লেখকের জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশের দুর্দান্ত বিবরণ হিসেবেই আখ্যায়িত করতে হয়। বই প্রেমিক, তীব্র কৌতুহলী এবং সত্যান্বেষী এক যুবকের সত্যের খোঁজে এক অবিরাম আর রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প এটি। সত্যকে চিনতে গিয়ে, বুঝতে গিয়ে এক পর্যায়ে আশ্রয় নিয়েছেন নাস্তিকতার কাঁচের ঘরে। কিন্তু বিশ্বাস অবিশ্বাসের ক্রমাগত যুদ্ধে ভেঙে যায় সেই কাঁচের ঘর। বেরিয়ে আসেন নাস্তিকতার পাতকুয়ো থেকে বিশ্বাসের খোলা আকাশে বুক ভরে বাতাস নিতে। এই তো শুরু! শুধু নিজে সত্য চিনেই থেমে যাওয়া নয়, চারপাশের মানুষগুলোকেও সত্য চেনানোর আকুতি থেকে এই লেখাতেই তিনি তুলে ধরেন স্রষ্টা সম্পর্কিত এক অসাধারণ আলোচনা। এরই ধারাবাহিকতায় "সত্যের ব্যাপারে সত্য", "আত্মঘাতী কথাবার্তা", "হিউমের ভুল" এই লেখাগুলো এসেছে। এখানে বিশেষ করে আমি বলতে চাই "হিউমের ভুল" লেখাটিকে নিয়ে। লেখক অসাধারণ বুদ্ধিদীপ্ত স্টাইলে হিউমের কথা দিয়েই হিউমকে ভুল সাব্যস্ত করেছে। এর পর "আমি কে,আমি এখানে কেন" এই লেখাটিতে ফুটে উঠেছে মানুষের আসল পরিচয়ের ব্যাপারে কিছু মুল্যবান কথাবার্তা। নাস্তিকদের কাছে স্রষ্টার অনস্তিত্বের সপক্ষে ডারউইনের বিবর্তনবাদ রীতিমত ঐশী বাণীর মত। "নানান রূপের ইভোলিউশন", "প্রিয় লেজ" এই লেখাগুলোতে ফুটে উঠেছে এই তথাকথিত বিজ্ঞানের অনর্থকতা। "বুদ্ধিমান স্বত্ত্বা" রচনাটি এমন একটি লেখা যেখানে অত্যন্ত সহজিয়া ভংগিতে, সহজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে আল্লাহর অস্তিত্বের কথা। লেখক দেখিয়েছেন অনন্যসাধারণ বুদ্ধিমান এক স্বত্ত্বা বিরাজ করছেন প্রতিটি অসাধারণ জিনিসের সৃষ্টির পেছনে। এই বইয়ের অসাধারণতম কোন লেখার কথা বললে "ইজাজুল কুরআন" লেখাটার কথা অবশ্যই বলতে হবে। কুরআনের একজন আগ্রহী ছাত্র হিসেবে কুরআনের অসাধারণ কিছু ব্যাপার লেখক প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন। যেমন,...থাক। সব আমি বললে কি আর হবে নাকি? শুধুমাত্র এই লেখাটি পড়ার জন্যই বইটি একবার পড়া উচিত। কুরআনের বহুমাত্রিক শ্রেষ্ঠত্বের চমকপ্রদ আরো কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে "ঘোষণা কর শ্রেষ্ঠত্বের" আর "সূরা রুমের অলৌকিকত্ব" লেখা দুইটিতে। এই বইয়ের যে লেখাটি আমাকে তীব্রভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে সেটি হল "বার্তাবাহকের মর্যাদা"। লেখাটি শুরুই হয়েছে মহান আল্লাহ 'আযযা ওয়া জালের পক্ষ থেকে আসা এক তীব্র সতর্কবাণী দিয়ে। সূরা আহযাবের ৩৬ নং আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে লেখক বারবার আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে আমরা প্রকাশ্য পথভ্রষ্টদের দলের একজন হয়ে যাচ্ছি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে। এই ব্যাপারটা একজন পাঠক হিসেবে আমাকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। আয়াতটা আগে পড়া থাকলেও এভাবে চিন্তায় আসেনি কখনোই। এখানে রাসূলের আনুগত্যের যে গুরুত্ব কত বেশি সেটা স্বার্থকভাবেই ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন লেখক। "আমি ভণ্ড নইতো" লেখাটি যেকোন সচেতন পাঠককে লজ্জায় ফেলে দিবে। "এলার্ম, এলার্ম" লেখাটি সাবধান করিয়ে দেয় আমাদের গন্তব্যের দিকে যাত্রার ব্যাপারে। মনে করিয়ে দেয় অনন্ত যাত্রার কথা। আমরা জেগে জেগে ঘুমাচ্ছি না তো? ওদিকে কিন্তু এলার্ম বাজছে,বেজে চলেছে। আমরা বেহুঁশ। লেখক যেন ধাক্কা দিয়ে আমাদের ঘুম ভাঙাতে চেয়েছেন। আমাদের মত আলসে মানুষদের কাছে পর্বত জয় করার মত এক ব্যাপার হল ফজরের সালাত আদায় করা। "ফজরের সালাত চ্যালেঞ্জ" লেখাটিতে চমৎকার চারটি উপায় বলে দিয়েছেন লেখক। "আপনি ফিরবেন বলে" - যেকোন অনুভূতিসম্পন্ন মানুষকে নাড়া দেবে। পাঠক অন্তর থেকে উপলব্ধি করবেন আপনার প্রতি আল্লাহ সুব'হানাহু ওয়া তা'আলার ভালবাসা। আপনার প্রতি তাঁর অপরিমেয় ভালোবাসাকে অনুভব করতে পারবেন আপনি, যা হয়তো তাঁর দিকে আপনাকে ফিরে আসতে সাহায্য করবে। "সাফল্য" রচনায় উঠে এসেছে সত্যিকারের সাফল্যের কথা। আমাদের তৈরি করা সাফল্যের ভুল তত্ত্বের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে এই লেখায়। "আমরা কি সেই পথেই হাঁটছি", "হৃদয়ের অবাধ্যতা" লেখাগুলো ভেতর কাঁপিয়ে দেওয়ার মত। "সুন্নাহ" লেখাটি কলেবরে একেবারে ছোট হলেও ভাবের দিকে বিশাল ব্যাপ্তির অধিকারী। "ওহ, এটা তো সুন্নাহ" - বলে বলে যে কত সুন্নাহ আমরা অবলীলায় ছেড়ে দিচ্ছি সেই ভয়াবহ সত্য উঠে এসেছে এই লেখায়। "জীবন্ত মিরাকল" লেখায় উঠে এসেছে সেই বিস্ময়মানবের কথা, যাঁর প্রতি মুগ্ধতার রেণু আজও ছড়ায় বিশ্বের দিকে দিকে। সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এই লেখাটিতে তুলে ধরা হয়েছে তাঁর কাছে আসা সেই মহাগ্রন্থের অলৌকিক ক্ষমতা, মিরাকলের ফিরিস্তি যা আজও রয়েছে একই রকম জীবন্ত। বইয়ের শেষের দিকে এসে এমন একটি লেখা পড়ার সুযোগ পাঠকের হবে যে লেখাটি পাঠককে নতুন করে ভাবাবে, বিশেষ করে সালাতের মাধ্যমে। আমরা যে সালাত আদায় করি, অন্তত অধিকাংশের ক্ষেত্রেই বলা চলে ওটা স্রেফ সালাতের কংকাল মাত্র। এটাই অনেকে ঠিকঠাক মত করতে পারেন না। এই সালাত কি সেই সালাত যে সালাতের ব্যাপারে আল্লাহ 'আযযা ওয়া জাল কুরআনুল কারীমে অসংখ্য বার বলেছেন? "স্পিরিট আর রিচুয়াল" লেখাটিতে এই ব্যাপারটি নিয়েই করা হয়েছে প্রাঞ্জল এক আলোচনা। এটা যেকোন মুমিনের জন্যই অত্যন্ত জরুরি এক আলোচনা। "টর্চার" লেখাটি এই সময়ের প্রতিচ্ছবি। ইসলামের মহান চার ইমামের উপর চালানো অকথ্য নির্যাতন যেন আমাদেরকে এই সত্যেরই মুখোমুখি করিয়ে দেয় যে সত্যপথযাত্রীদের চলার পথ বন্ধুর হয়। আর এটাই প্রমাণ করে যে আমি বা আপনি সত্য পথে আছি। এ যুগে ইসলাম আঁকড়ে ধরা মানেই যে গুরাবা! "পরীক্ষা আর পরীক্ষা" লেখায় ফুটে উঠেছে এক নিদারুণ বাস্তবতা। সদ্য দ্বীনের পথে আসা কেউ যখন বিভিন্নমুখী বিপদ আপদের সম্মুখীন হয়, তখন অনেকেই বেসামাল হয়ে অভিযোগ করে বসে কেন তার সাথেই এরকম হচ্ছে। লেখক শক্তভাবে এই কথার জবাবে মনে করিয়ে দিয়েছেন বান্দার প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে অপার অজস্র নি'আমাতের কথা। পরামর্শ দিয়েছেন ধৈর্যের, অবিচলতার। "রিজিক্বের ভয়" লেখায় উঠে এসেছে রিজিক্ব নিয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা আর ইসলামের দৃষ্টিভংগি। এই বইয়ের অসাধারণ লেখার তালিকায় যে বইটি নিশ্চিতভাবেই থাকবে সেটি হল "হাল ছাড়বে?"। লেখক তার নিজের ছাত্রজীবনের গল্প করেছেন পাঠকের সাথে। দেখিয়েছেন কিভাবে শেষ হাসিটা তিনিই হেসেছিলেন। আজকের এই আত্মহনন প্রবণতার যুগে নিঃসন্দেহে অত্যন্ত সময়োপযোগী লেখা যেখানে কমবয়সী ছেলে মেয়েরা সামান্য রেজাল্ট খারাপের কারণেই আত্মহত্যা করে বসে। বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় ছোট্ট একটি লেখা - "মশাল নিয়ে শেষকথা"। পুরো বই জুড়ে যে আলোর কথা বারবার করে বলেছেন লেখক, সেই আলোকে ছড়িয়ে দেবার আহবান করেছেন, মশাল থেকে মশালে। যাতে আলোকিত হয় ধরণী, মুছে যায় আঁধারের কালিমা।

এই বইটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কথা বললে প্রথমেই যে বিষয়টি উঠে আসবে সেটা হল লেখকের সত্যান্বেষী মনোভাব। এর পরেই আসবে প্রাঞ্জল ভাষা, সাধারণ কেতাবি ভাষা নয়। একেবারে ঘরোয়া ঢংয়ে, বৈঠকি আলাপের ধাঁচে লেখা। এটা বইটিকে ভিন্ন এক মাত্রা দিয়েছে। তৃতীয় যে ব্যাপারটি উঠে আসে সেটা হল লেখকের চিন্তার তীক্ষ্ণতা। মোটকথা "উল্টো নির্ণয়" এমন এক মুক্তোখনি যেটা আপনাকে বিনোদিত করবে আর তার চেয়েও বেশি দেবে চিন্তার খোরাক। যা হয়তো আপনার জীবনপথের বাঁক বদলের সূচনাবিন্দু হয়ে যেতে পারে।

ছোটখাটো কিছু মুদ্রণ প্রমাদ আর বাইন্ডিং এর ক্ষেত্রে কিছু ভুল ভ্রান্তি কিছুটা হলেও বইটার অংগহানি করেছে। প্রচ্ছদের ব্যতিক্রমী উপস্থাপন অবশ্য বইটির আকর্ষণ বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। মুহাম্মদ মাসুম আনসারী এই চমৎকার প্রচ্ছদটির জন্য পাঠকের দু'আর হক্কদার, নিঃসন্দেহে। পরিপূরক প্রকাশনীও এই দু'আয় শামিল হবার দাবি রাখে এত চমৎকার একটি বই পাঠকদের উপহার দেবার জন্য।

লেখক সম্পর্কে অল্প হলেও কিছু বলতেই হয়। মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর, অসাধারণ মেধাবী একজন ছাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের, যিনি ছাত্রাবস্থায় থাকাকালেই তার গবেষণা কর্ম স্থান পেয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নালগুলোতে। নাস্তিকতার আঁধার মাড়িয়ে আসা এই স্বাপ্নিক আর আন্তরিক মানুষটি একজন সত্যিকারের মুসলিম হবার আন্তরিক চেষ্টায় রত। আল্লাহ তার প্রচেষ্টা কবুল করুন,আমীন। ও হ্যাঁ, আমাদের প্রিয় এই ভাই নিজ ফ্যাকাল্টি এবং একই সাথে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ রেজাল্টধারী হওয়ার সুবাদে প্রধানমন্ত্রীর কাছে থেকে পেয়েছেন স্বর্ণপদক।

এই বইয়ের আলো ছড়িয়ে যাক প্রতিটি অন্তরে। এই বই আমাদের নিয়ে যাক সেই বইয়ের কাছে যে বই আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে সাত আসমানের ওপার থেকে। আল্লাহ তোয়াহা ভাইকে কবুল করে নিন। তাকে ও আমাদেরকে তার এই বইয়ের মাধ্যমে উপকৃত হওয়ার তাওফীক্ক দান করুন। আমীন ইয়া রাব্বী।

সোর্স: 'পাঠাভ্যাস' ইসলামী বই রিভিউ

কোন মন্তব্য নেই