পরকালীন প্রস্তুতি

কুর'আন-সুন্নাহর আলোকে পরকালীন মুক্তির আশায় একটি পরকালমুখী উদ্যোগ

ধারাবাহিক কুরআন ০৯


[১]
একদা একজন পল্লীবাসী রাসূলুল্লাহ সঃ-কে প্রশ্ন করে, "হে আল্লাহর রাসূল সঃ! আমাদের প্রভু কি কাছে, না দূরে আছেন? নিকটে থাকলে চুপে চুপে ডাকবো আর যদি দূরে থাকেন; তাহলে, উচ্চস্বরে ডাকবো।" তখন রাসূলুল্লাহ সঃ নীরব হয়ে যান। এ-সময় নিম্নের আয়াতটি অবতীর্ণ হয়…
"আমার বান্দাগণ যখন আমার সম্বন্ধে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন তুমি বল, 'আমি তো কাছেই আছি। যখন কোনো প্রার্থনাকারী আমাকে ডাকে, তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিই। সুতরাং তারাও আমার ডাকে সাড়া দিক এবং আমাতে বিশ্বাস স্থাপন করুক, যাতে তারা ঠিক পথে চলতে পারে'।" [২:১৮৬]

[২]
রাসুলুল্লাহ সঃ বলেছেন, "বান্দা যখন আল্লাহর কাছে হাত উঁচু করে প্রার্থনা জানায়, তখন সেই দয়ালু আল্লাহ তার হাত দু'খানাকে শূন্য ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।" তিনি আরো বলেছেন,
"যে বান্দা আল্লাহ তা'আলার নিকট এমন প্রার্থনা করে যার মধ্যে পাপও নেই ও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নতাও নেই, তবে, আল্লাহ তাকে তিনটির মধ্যে যে কোন একটি দান করে থাকেন। হয়তোবা তার প্রার্থনা তৎক্ষণাৎ কবুল করে নিয়ে তার প্রার্থিত উদ্দেশ্য পুরো করেন, কিংবা তা জমা করে রেখে দেন এবং পরকালে দান করেন বা এর-ই কারণে এমন কোনো বিপদ কাটিয়ে দেন, যে বিপদ তার প্রতি আপতিত হতো।" একথা শুনে জনসাধারণ প্রশ্ন করে, "হে আল্লাহর রাসূল সঃ! আমরা যখন প্রার্থনা খুব বেশী করে প্রার্থনা করবো?"
--“আল্লাহ তা'আলার নিকট খুব বেশীই রয়েছে।"

[৩]
হাদীসে কুদসীতে এসেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "হে বনী আদম! তোমার একটি কাজ হচ্ছে দোয়া করা আর আমার কাজ হচ্ছে, তা কবুল করা।"

1 টি মন্তব্য: